কেক! নামটা শুনলেই জিভে জল এসে যায়, তাই না? জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী কিংবা যেকোনো উৎসবে কেক যেন এক অপরিহার্য অংশ। কিন্তু দোকানের কেক সবসময় মনমতো হয় না, আবার দামটাও বেশ চড়া। তাই ভাবছেন, যদি নিজেই পারতেন দারুণ একটা কেক বানাতে? কিন্তু কেক বানাতে কি কি লাগে, তা নিয়ে মনে নানা প্রশ্ন? চিন্তা নেই, আমি আছি আপনাদের সাথে!
আজকে আমরা আলোচনা করব কেক বানানোর খুঁটিনাটি নিয়ে। কী কী উপকরণ লাগবে, কীভাবে বানাবেন, আর কীভাবেই বা আপনার কেক হয়ে উঠবে পারফেক্ট – সবকিছুই থাকবে এই লেখায়। তাহলে চলুন, শুরু করা যাক!

কেক বানানোর প্রস্তুতি: প্রয়োজনীয় উপকরণ
কেক বানানোর প্রথম ধাপ হলো সঠিক উপকরণগুলো হাতের কাছে রাখা। তাহলে দেখে নেওয়া যাক, একটা বেসিক কেক বানাতে কী কী লাগবে:
- ময়দা: ১ কাপ (মাপটা যেন ঠিক থাকে, তাহলে কেক ফুলবে ভালো)
- ডিম: ৩টি (রুম টেম্পারেচারে রাখা ডিম ব্যবহার করাই ভালো)
- চিনি: ১ কাপ (স্বাদমতো কম-বেশি করতে পারেন)
- মাখন বা তেল: ১/২ কাপ (গলানো মাখন ব্যবহার করলে কেকের স্বাদ বাড়বে)
- বেকিং পাউডার: ১ চা চামচ (কেক ফোলাতে এটা খুব জরুরি)
- ভ্যানিলা এসেন্স: ১ চা চামচ (গন্ধের জন্য, না দিলেও চলে)
- দুধ: ১/২ কাপ (কেকের মিশ্রণ নরম করতে কাজে লাগবে)
উপকরণগুলোর বিস্তারিত ব্যবহার
- ময়দা: ময়দা কেকের মূল ভিত্তি। সাধারণত, অল-পারপাস ময়দা ব্যবহার করা হয়। তবে, কেকের ধরন অনুযায়ী ময়দার ভিন্নতা দেখা যায়।
- ডিম: ডিম কেককে নরম করে এবং ফোলাতে সাহায্য করে। ডিমের কুসুম এবং সাদা অংশ আলাদা করে ফেটিয়ে নিলে কেক আরও বেশি নরম হয়।
- চিনি: চিনি শুধু মিষ্টির জন্যই নয়, কেকের টেক্সচারও ঠিক রাখে। ব্রাউন সুগার ব্যবহার করলে কেকের স্বাদ আরও বাড়বে।
- মাখন বা তেল: মাখন কেককে নরম ও সুস্বাদু করে। তেল ব্যবহার করলে কেক বেশি দিন পর্যন্ত নরম থাকে।
- বেকিং পাউডার: বেকিং পাউডার কেকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটা কেককে ফোলাতে সাহায্য করে।
- ভ্যানিলা এসেন্স: ভ্যানিলা এসেন্স কেকের স্বাদ ও গন্ধ বাড়ায়।
- দুধ: দুধ কেকের মিশ্রণকে সঠিক ঘনত্বে আনতে সাহায্য করে।
বিশেষ টিপস
- উপকরণগুলো যেন অবশ্যই ফ্রেশ হয়।
- ডিমের সাইজ যেন মাঝারি হয়, খুব ছোট বা বড় না হওয়াই ভালো।
- চিনি গুঁড়ো করে ব্যবহার করলে কেকের সাথে ভালোভাবে মিশে যায়।
- মাখন গলানোর সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন পুড়ে না যায়।
কেক তৈরির পদ্ধতি: ধাপে ধাপে
উপকরণ তো জানা হলো, এবার চলুন দেখে নেওয়া যাক কেক বানানোর পুরো পদ্ধতি:
- প্রথমে, ডিম এবং চিনি ভালোভাবে ফেটিয়ে নিন। ডিমের ফোম তৈরি হওয়া পর্যন্ত ফেটাতে থাকুন। এতে কেক নরম হবে।
- এরপর, মাখন বা তেল যোগ করে আবার ফেটিয়ে নিন।
- ময়দা এবং বেকিং পাউডার মিশিয়ে ডিমের সাথে অল্প অল্প করে মেশান। একবারে মেশাতে যাবেন না, তাহলে মিশ্রণ জমাট বেঁধে যেতে পারে।
- ভ্যানিলা এসেন্স এবং দুধ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। খেয়াল রাখবেন, মিশ্রণ যেন খুব বেশি ঘন বা পাতলা না হয়।
- একটি কেকের পাত্রে তেল বা মাখন লাগিয়ে নিন, যাতে কেক সহজেই বের করা যায়।
- পাত্রে মিশ্রণ ঢেলে দিন এবং প্রিহিটেড ওভেনে ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ২৫-৩০ মিনিটের জন্য বেক করুন।
- টুথপিক দিয়ে পরীক্ষা করুন কেক হয়েছে কিনা। টুথপিক পরিষ্কার বের হলে বুঝবেন কেক তৈরি।
- ঠাণ্ডা হয়ে গেলে পাত্র থেকে বের করে পরিবেশন করুন।
ওভেনের তাপমাত্রা এবং সময়: ওভেনের তাপমাত্রা এবং সময় কেকের আকারের উপর নির্ভর করে। ছোট কেকের জন্য কম সময় এবং বড় কেকের জন্য বেশি সময় লাগতে পারে। এছাড়াও, ওভেনের মডেলের কারণেও তাপমাত্রার কিছুটা পার্থক্য হতে পারে। তাই, প্রথমবার কেক বানানোর সময় একটু খেয়াল রাখা ভালো।
অন্যান্য পদ্ধতি: যাদের ওভেন নেই, তারা চাইলে চুলায়ও কেক বানাতে পারেন। চুলায় কেক বানানোর জন্য একটি ভারী তলাযুক্ত পাত্র ব্যবহার করতে হবে। পাত্রের নিচে একটি স্ট্যান্ড বসিয়ে তার উপর কেকের পাত্রটি রাখতে হবে। এরপর ঢাকনা দিয়ে ঢেকে অল্প আঁচে বেক করতে হবে।
কেকের প্রকারভেদ ও উপকরণ
কেক শুধু এক ধরনের হয় না। ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের জন্য ভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করা হয়। কিছু জনপ্রিয় কেকের প্রকারভেদ এবং তাদের উপকরণ নিচে দেওয়া হলো:
চকলেট কেক
চকলেট কেক অনেকেরই প্রিয়। এটা বানানোর জন্য সাধারণ উপকরণের সাথে কোকো পাউডার যোগ করতে হয়।
উপকরণ
- ময়দা: ১ কাপ
- ডিম: ৩টি
- চিনি: ১ কাপ
- মাখন বা তেল: ১/২ কাপ
- কোকো পাউডার: ১/২ কাপ
- বেকিং পাউডার: ১ চা চামচ
- ভ্যানিলা এসেন্স: ১ চা চামচ
- দুধ: ১/২ কাপ
প্রস্তুত প্রণালী
চকলেট কেক বানানোর পদ্ধতি সাধারণ কেকের মতোই। শুধু ময়দার সাথে কোকো পাউডার মিশিয়ে নিতে হয়।
ভ্যানিলা কেক
ভ্যানিলা কেক খুব সাধারণ এবং সহজেই তৈরি করা যায়। এর মিষ্টি গন্ধ মন জয় করে নেয়।
উপকরণ
- ময়দা: ১ কাপ
- ডিম: ৩টি
- চিনি: ১ কাপ
- মাখন বা তেল: ১/২ কাপ
- বেকিং পাউডার: ১ চা চামচ
- ভ্যানিলা এসেন্স: ২ চা চামচ
- দুধ: ১/২ কাপ
প্রস্তুত প্রণালী
ভ্যানিলা কেক বানানোর সময় ভ্যানিলা এসেন্সের পরিমাণ একটু বেশি দিতে হয়, যাতে গন্ধটা ভালোভাবে আসে।
স্পঞ্জ কেক
স্পঞ্জ কেক খুব নরম এবং তুলতুলে হয়। এটা বানানোর জন্য ডিমের সাদা অংশ আলাদা করে ফেটিয়ে নিতে হয়।
উপকরণ
- ময়দা: ১ কাপ
- ডিম: ৪টি (সাদা অংশ আলাদা করা)
- চিনি: ১ কাপ
- বেকিং পাউডার: ১/২ চা চামচ
- ভ্যানিলা এসেন্স: ১ চা চামচ
- দুধ: ১/৪ কাপ
প্রস্তুত প্রণালী
ডিমের সাদা অংশ ফোম তৈরি হওয়া পর্যন্ত ফেটিয়ে নিয়ে তারপর অন্যান্য উপকরণ মেশাতে হয়।
কেক তৈরির সময় কিছু সাধারণ ভুল ও সমাধান
কেক বানানোর সময় কিছু ভুল হতেই পারে। তবে, সেই ভুলগুলো চিহ্নিত করতে পারলে এবং সমাধান করতে পারলে কেক আরও ভালো হবে। নিচে কিছু সাধারণ ভুল এবং তার সমাধান দেওয়া হলো:
- কেক ফোলে না: বেকিং পাউডার পুরাতন হলে বা কম দিলে কেক ফোলে না। তাই, বেকিং পাউডার দেওয়ার আগে দেখে নিতে হবে।
- কেক পুড়ে যায়: ওভেনের তাপমাত্রা বেশি থাকলে বা বেশি সময় ধরে বেক করলে কেক পুড়ে যেতে পারে। তাই, তাপমাত্রা কমিয়ে এবং সময় কমিয়ে বেক করতে হবে।
- কেক নরম হয় না: ডিম ভালোভাবে ফেটানো না হলে বা ডিমের পরিমাণ কম হলে কেক নরম হয় না। তাই, ডিম ভালোভাবে ফেটিয়ে নিতে হবে।
- কেকের মাঝখান কাঁচা থাকে: কেকের মাঝখান কাঁচা থাকলে বুঝতে হবে কেক ভালোভাবে বেক হয়নি। এক্ষেত্রে, কেকটি আরও কিছুক্ষণ বেক করতে হবে।
কেক ডেকোরেশন: সুন্দর ও আকর্ষণীয় করার উপায়
কেক শুধু সুস্বাদু হলেই চলে না, দেখতেও সুন্দর হতে হয়। তাই, কেক ডেকোরেশন করাটাও খুব জরুরি। নিচে কিছু সহজ ডেকোরেশন টিপস দেওয়া হলো:
- ক্রিম দিয়ে ডেকোরেশন: কেকের উপরে ক্রিম লাগিয়ে নিজের পছন্দমতো ডিজাইন করতে পারেন। বাজারে বিভিন্ন ধরনের রেডিমেড ক্রিম পাওয়া যায়।
- ফল দিয়ে ডেকোরেশন: ফ্রেশ ফল যেমন স্ট্রবেরি, আঙুর, কিউই দিয়ে কেক সাজাতে পারেন। এতে কেক দেখতে যেমন সুন্দর হবে, তেমনি খেতেও ভালো লাগবে।
- চকলেট দিয়ে ডেকোরেশন: কেকের উপরে গলানো চকলেট ঢেলে বা চকলেটের শেভিং ছড়িয়ে দিয়ে ডেকোরেশন করতে পারেন।
- স্প্রিংকেলস দিয়ে ডেকোরেশন: বাজারে বিভিন্ন ধরনের স্প্রিংকেলস পাওয়া যায়। এগুলো দিয়ে কেক সাজালে দেখতে খুব আকর্ষণীয় লাগে।
ক্রিমের ব্যবহার: কেকের ডেকোরেশনের জন্য ক্রিম খুব গুরুত্বপূর্ণ। বাজারে হুইপড ক্রিম, বাটারক্রিম, চিজ ক্রিমসহ বিভিন্ন ধরনের ক্রিম পাওয়া যায়। নিজের পছন্দ অনুযায়ী ক্রিম ব্যবহার করে কেক ডেকোরেট করতে পারেন।
ফলের ব্যবহার: ফল দিয়ে কেক ডেকোরেট করলে কেক দেখতে যেমন সুন্দর লাগে, তেমনি স্বাস্থ্যকরও হয়। স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, রাস্পবেরি, কিউই, আঙুর ইত্যাদি ফল কেক ডেকোরেশনের জন্য খুব জনপ্রিয়।
স্বাস্থ্যকর কেক: কিছু বিকল্প উপকরণ
বর্তমানে অনেকেই স্বাস্থ্য সচেতন। তাই, স্বাস্থ্যকর কেক বানানোর জন্য কিছু বিকল্প উপকরণ ব্যবহার করা যেতে পারে। নিচে কিছু স্বাস্থ্যকর বিকল্প উপকরণের তালিকা দেওয়া হলো:
- চিনির বিকল্প: মধু, ম্যাপল সিরাপ বা স্টেভিয়া ব্যবহার করতে পারেন।
- ময়দার বিকল্প: আটা, বাদামের গুঁড়ো বা ওটস ব্যবহার করতে পারেন।
- মাখনের বিকল্প: নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।
- ডিমের বিকল্প: ফ্ল্যাক্স সিড বা আপেল সস ব্যবহার করতে পারেন।
উপকরণ পরিবর্তনের সুবিধা
- মধু বা ম্যাপল সিরাপ ব্যবহার করলে কেকের মিষ্টি স্বাদ প্রাকৃতিক হয় এবং এটি চিনির চেয়ে স্বাস্থ্যকর।
- আটা, বাদামের গুঁড়ো বা ওটস ব্যবহার করলে কেকের ফাইবার এবং পুষ্টিগুণ বাড়ে।
- নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে কেকের ফ্যাট কম হয় এবং এটি হৃদরোগের জন্য ভালো।
- ফ্ল্যাক্স সিড বা আপেল সস ব্যবহার করলে কেকের ডিমের পরিমাণ কমানো যায় এবং এটি ভেগানদের জন্য উপযুক্ত।
রেসিপিতে পরিবর্তন: উপকরণ পরিবর্তনের সময় রেসিপিতে কিছুটা পরিবর্তন আনতে হতে পারে। যেমন, চিনির পরিবর্তে মধু ব্যবহার করলে মধুর পরিমাণ একটু কম দিতে হবে, কারণ মধু চিনির চেয়ে বেশি মিষ্টি।
কেক বানানোর সরঞ্জাম: যা আপনার দরকার হবে
কেক বানানোর জন্য কিছু বিশেষ সরঞ্জামের প্রয়োজন হয়। নিচে প্রয়োজনীয় কিছু সরঞ্জামের তালিকা দেওয়া হলো:
- মাপার কাপ ও চামচ: সঠিক পরিমাণে উপকরণ মাপার জন্য।
- মিক্সিং বোল: উপকরণ মেশানোর জন্য।
- ডিমের বিটার: ডিম ফেটানোর জন্য।
- স্প্যাচুলা: মিশ্রণ মেশানোর জন্য।
- কেকের পাত্র: কেক বেক করার জন্য।
- বেকিং পেপার: কেকের পাত্রে দেওয়ার জন্য, যাতে কেক সহজে বের করা যায়।
- ওভেন বা চুলা: কেক বেক করার জন্য।
সরঞ্জামের ব্যবহার
- মাপার কাপ ও চামচ: কেকের উপকরণ সঠিক পরিমাণে মাপার জন্য এটা খুব জরুরি। সঠিক মাপ না হলে কেক ভালো হবে না।
- মিক্সিং বোল: বড় এবং গভীর মিক্সিং বোল ব্যবহার করলে উপকরণ মেশাতে সুবিধা হয়।
- ডিমের বিটার: ডিম ফেটানোর জন্য হ্যান্ড বিটার বা ইলেকট্রিক বিটার ব্যবহার করা যেতে পারে।
- স্প্যাচুলা: স্প্যাচুলা দিয়ে কেকের মিশ্রণ ভালোভাবে মেশানো যায় এবং পাত্রের চারপাশে লেগে থাকা উপকরণও সহজে তুলে আনা যায়।
- কেকের পাত্র: কেকের পাত্র বিভিন্ন আকারের হয়ে থাকে। নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী পাত্র বেছে নিতে পারেন।
- বেকিং পেপার: বেকিং পেপার ব্যবহার করলে কেক পাত্রের সাথে লেগে যায় না এবং সহজে বের করা যায়।
- ওভেন বা চুলা: কেক বেক করার জন্য ওভেন সবচেয়ে ভালো। তবে, যাদের ওভেন নেই, তারা চুলায়ও কেক বানাতে পারেন।
কেক নিয়ে কিছু সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
কেক বানানোর জন্য কোন ময়দা ভালো?
কেক বানানোর জন্য অল-পারপাস ময়দা সবচেয়ে ভালো। তবে, স্পঞ্জ কেকের জন্য কেক ফ্লাওয়ার ব্যবহার করা যেতে পারে।
ডিমের পরিবর্তে কি ব্যবহার করা যায়?
ডিমের পরিবর্তে আপেল সস, ফ্ল্যাক্স সিড বা দই ব্যবহার করা যেতে পারে।
বেকিং পাউডার এর কাজ কি?
চুলোয় কেক বানানোর নিয়ম কি?
চুলোয় কেক বানানোর জন্য একটি ভারী তলাযুক্ত পাত্রের নিচে স্ট্যান্ড বসিয়ে তার উপর কেকের পাত্রটি রাখতে হবে। এরপর ঢাকনা দিয়ে ঢেকে অল্প আঁচে বেক করতে হবে।
ডেকোরেশনের জন্য কি কি ব্যবহার করা যায়?
ডেকোরেশনের জন্য কি কি ব্যবহার করা যায়?
ডেকোরেশনের জন্য ক্রিম, ফল, চকলেট, স্প্রিংকেলস ইত্যাদি ব্যবহার করা যায়।
উপসংহার
তাহলে বন্ধুরা, আজ আমরা জানলাম কেক বানাতে কি কি লাগে এবং কিভাবে একটি পারফেক্ট কেক তৈরি করা যায়। এখন আপনার পালা, নিজের হাতে কেক বানিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিন! আর হ্যাঁ, কেক বানানোর সময় কোনো সমস্যা হলে আমি তো আছিই।
যদি এই লেখাটি আপনার ভালো লেগে থাকে, তাহলে অবশ্যই শেয়ার করুন এবং আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না। হ্যাপি বেকিং!

I am a Rejaul islam dedicated food writer who brings the art of cooking and the joy of dining to life. With expertise in culinary trends, recipes, and cultural food stories, Foods Album delivers engaging content that captivates readers, ignites their taste buds, and celebrates the vibrant world of flavors and traditions.